জাতীয়

শেষবয়সে প্রবীর মিত্রকে বৃদ্ধাশ্রমে নিয়ে রেখে আসলেন তার ছেলেরা !

শেষবয়সে প্রবীর মিত্রকে বৃদ্ধাশ্রমে নিয়ে রেখে আসলেন তার ছেলেরা !

বাংলার সিনেমার মুকুটবিহীন সম্রাট প্রবীর মিত্র, যাকে বলা হয় প্রতিবাদী সৈনিক, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সদাসর্বদা দাঁড়িয়ে থাকা এক লড়াকু, এক ন্যায়পরায়ণ, নিষ্ঠাবান ব্যক্তি। সেই প্রবীর মিত্রই কিনা আজ অন্যায়ের শিকার !

অবশেষে ইতিহাসের আরেকটি জঘন্যতম ঘটনা ঘটে গেলো অভিনেতা প্রবীর মিত্রের সাথে। শেষবয়সে তাকে বৃদ্ধাশ্রমে নিয়ে রেখে আসলো তার সোনার ছেলেরা। সম্প্রতি এ ঘটনাটি বিশ্বজুড়ে তুমুল আলোড়ন জাগিয়েছে। পূর্বপরিকল্পিত ভাবেই তাকে বাঁশ দেয়া হয়েছে বলে দাবী করছেন তুমুল জনপ্রিয় এ অভিনেতা।

জানা যায়, রোববার সকালের নাস্তায় প্রবীর মিত্রকে প্রতিদিনকার মত একটি আটার রুটি এবং কাঁসার গ্লাসে করে পাতলা ডাল খেতে দেয়া হয়। রোববার দিনটি ইউরোপ আমেরিকায় ‘হলিডে’ হওয়ায় প্রবীর মিত্র সেদিন ডালের বদলে ডিম খেতে চান। তখনই বাধে বিপত্তি ! প্রবীর মিত্র ডিমের কথা বলার সাথে সাথেই তার ছোট বৌমা’র হাত থেকে ডাইলের পাতিল পিছলা খেয়ে পড়ে যায়। আর ঠিক সেসময়ই ডাইনিং টেবিল থেকে মাত্র পাঁচ গজ দুরে অবস্থিত স্যানিটারি ল্যাট্রিন থেকে বের হন প্রবীর মিত্রের ছোট ছেলে গভীর মিত্র।

বাথরুম থেকে বেরিয়ে গভীর মিত্র ফ্লোরে পা ফেলতেই ঘটে আসল দুর্ঘটনা। ফ্লোরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ডাইলের উপর পা ফেলায় পিছলা খেয়ে গভীর মিত্র ব্যালেন্স হারিয়ে ফেলেন এবং চাক্কাওয়ালা জুতা ছাড়াই অটোমেটিক সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকেন। আর ঠিক তখনি বারান্দায় সাজানো ফুলের টবে পানি সেচ করে বারান্দা থেকে বেরিয়ে আসেন গভীর মিত্রের ভাবী অর্থাৎ বাবা প্রবীর মিত্রের বড় বৌমা টিনা মিত্র। পিছলা খেয়ে ছুটে আসা দেবর দূর্ঘটনাবশত ভাবীর সাথে ধাক্কা খেয়ে তার উপর হুমড়ি খেয়ে পড়ে। এমন সময় হাজির হয় প্রবীর মিত্রের বড় ছেলে কবির মিত্র। নিজচোখে নিজের বউয়ের উপর ছোটভাইকে শুয়ে থাকতে দেখে কবির রেগে যায়। এবং ভুল বুঝাবুঝি থেকে পুরো ঘটনাটি হাতাহাতি মারামারির দিকে মোড় নেয়।

এরপর দুজনের মারামারি থামাতে গিয়ে বাটে পড়ে যান। শেষমেষ দুই ছেলে তাকেই বাটে পেয়ে বসে। এবং পুরো বিষয়টিকে প্রবীর মিত্রের চক্রান্ত হিসেবে চিন্হিত করে তাকে মগবাজারের একটি বৃদ্ধাশ্রমে নিয়ে রেখে আসেন।

এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে প্রবীর মিত্র প্রথম আলু সাংবাদিককে বলেন, “আপনার নামে প আছে, আমার নামেও প আছে। আমরা দুইজন ভাই ভাই। আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন।”

এসময় প্রথম আলু সাংবাাদিক খস্তগীর প্রবীর মিত্রকে সান্তনা দিয়ে বলেন, “প তো পরিমলের নামেও আছে। তো কি হইসে?”

'বাসার বাজার করেছেন তো? বাজার করুন চালডালে - সময় বাচাঁন, খরচ বাচাঁন। সেরা দামে সবকিছু মাত্র এক ঘন্টায়।'

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

To Top