লাইফ স্টাইল

যে ৯টি টিপস জানলে গৃহকর্মী ছাড়াই আপনার ঘরদোর থাকবে পরিচ্ছন্ন

হ্যাঁ, আসলেই কিন্তু তাই। এই ৯টি টিপস যদি জানা থাকে, আপনার ঘরদোর সবসময় থাকবে টিপটপ আর গোছানো। বলাই বাহুল্য যে পরিষ্কার করার যন্ত্রণাও একদম হবে না। বাড়িতে কাজের মানুষ নেই বা দীর্ঘদিনের ছুটিতে গিয়েছে? এই কাজগুলো করেই দেখুন। গৃহকর্মীর ওপরে নির্ভরশীলতা ছাড়াই নিজের বাসা গুছিয়ে রাখতে পারবেন সুন্দর করে। আর হ্যাঁ, কোন রকম বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই। ১) কাপড়চোপড় এলোমেলো থাকলে ঘর নোংরা দেখায় সবচাইতে বেশী। বাইরে থেকে এসে কাপড় খুলে একদিন ছুঁড়ে দেয়াটা খুব সহজ। কিন্তু এই কাজটা করবেন না একেবারেই। কাপড় ধোয়ার দরকার হলে খুলে নির্দিষ্ট ঝুড়িতে রাখুন, ঘামে ভেজা হলে বারান্দায় শুকাতে দিন আর পরিষ্কার হলে গুছিয়ে আলমারিতে রাখুন। কাপড় ধোয়ার জন্য একটা ওয়াশিং মেশিন কিনে ফেলতে পারলে খুব ভালো অয়। ২) অপ্রয়োজনীয় অসংখ্য জিনিস কিনে ঘর ভরিয়ে ফেলবেন না। মনে রাখবেন, যত বেশী জিনিস, পরিষ্কার করতে তত যন্ত্রণা। যেহেতু আপনার কোন সহায়তাকারী নেই, তাই যেটুকু দরকার কেবল সেটুকুই কিনুন। ৩) ঘরে বাড়ি কাগজ, সংবাদপত্র, বিভিন্ন রকমের ব্যাগ, পলিথিন ইত্যাদি বেশী জমতে দেবেন না। দরকারি টুকুন রেখে বাকি সব ফেলে দেয়ার ব্যবস্থা করুন প্রতিদিনেরটা প্রতিদিন। এসবের কারণে ঘরদোর নোংরার চূড়ান্ত হয়। ৪) যখনই কথাও কাজ করবেন, সাথে সাথে পরিষ্কার করে ফেলুন। যেমন টেবিলে খাওয়া হল, সাথে সাথেই টেবিলটি মুছে ফেলুন। রান্না ঘরে কাজ করছেন, কাজ শেষ অলেই কিচেন টপ পরিষ্কার করে ফেলুন। মাত্র ১ মিনিটের একটি কাজ। কিন্তু কতটা উপকারী চিন্তাও করতে পারবেন না। ৫) বাসায় কাজের মানুষ না থাকলে বা আপনি নিজে ব্যস্ত মানুষ হলে শৌখিন দ্রব্য একেবারেই কম কিনুন। এগুলো ঘরদোর নোংরা করে বেশী, পরিষ্কারেও কষ্ট। অন্যদিকে টুকিটাকি জিনিস ছড়িয়ে না রেখে এগুলোকে বাক্সবন্দী করে রাখার অভ্যাস করুন। জিনিস যত চোখের আড়ালে, ঘর তত পরিষ্কার। ৬) জুতা-স্যান্ডেল এলোমেলো রাখবেন না মোটেও। একটি জুতার আলমারি কিনে ফেলুন। যাবতীয় জুতা-স্যান্ডেল সেটার মাঝে রাখুন, দরজা সবসময় আটকে রাখবেন। দেখবেন, ঘরদোর কত পরিচ্ছন্ন দেখায়। ৭) সিংকে কখনো বাসনপত্র জমাবেন না। যখনকারটা তখনই ধুয়ে ফেলুন, সিংকটাও প্রত্যেকবার ধোঁয়া শেষে ধুয়ে ফেলুন। এতে সিংক কখনোই বেশি ময়লা হবে না। ৮) যে জিনিসটি যেখান থেকে নিয়ে ব্যবহার করেছেন, কাজ শেষে ঠিক সেখানেই ফিরিয়ে রাখা অভ্যাস করুন। এটা সবচাইতে জরুরী অভ্যাস। ৯) দৈনিক না হলেও একদিন পর পর সবকিছু ঝেড়ে ফেলুন। খুব ভালো হয় যদি একটি ভ্যাকুয়াম ক্লিনার থাকে। এটা আপনার পরম বন্ধু হয়ে উঠতে পারবে।

হ্যাঁ, আসলেই কিন্তু তাই। এই ৯টি টিপস যদি জানা থাকে, আপনার ঘরদোর সবসময় থাকবে টিপটপ আর গোছানো। বলাই বাহুল্য যে পরিষ্কার করার যন্ত্রণাও একদম হবে না। বাড়িতে কাজের মানুষ নেই বা দীর্ঘদিনের ছুটিতে গিয়েছে? এই কাজগুলো করেই দেখুন। গৃহকর্মীর ওপরে নির্ভরশীলতা ছাড়াই নিজের বাসা গুছিয়ে রাখতে পারবেন সুন্দর করে। আর হ্যাঁ, কোন রকম বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই।

১) কাপড়চোপড় এলোমেলো থাকলে ঘর নোংরা দেখায় সবচাইতে বেশী। বাইরে থেকে এসে কাপড় খুলে একদিন ছুঁড়ে দেয়াটা খুব সহজ। কিন্তু এই কাজটা করবেন না একেবারেই। কাপড় ধোয়ার দরকার হলে খুলে নির্দিষ্ট ঝুড়িতে রাখুন, ঘামে ভেজা হলে বারান্দায় শুকাতে দিন আর পরিষ্কার হলে গুছিয়ে আলমারিতে রাখুন। কাপড় ধোয়ার জন্য একটা ওয়াশিং মেশিন কিনে ফেলতে পারলে খুব ভালো অয়।

২) অপ্রয়োজনীয় অসংখ্য জিনিস কিনে ঘর ভরিয়ে ফেলবেন না। মনে রাখবেন, যত বেশী জিনিস, পরিষ্কার করতে তত যন্ত্রণা। যেহেতু আপনার কোন সহায়তাকারী নেই, তাই যেটুকু দরকার কেবল সেটুকুই কিনুন।

৩) ঘরে বাড়ি কাগজ, সংবাদপত্র, বিভিন্ন রকমের ব্যাগ, পলিথিন ইত্যাদি বেশী জমতে দেবেন না। দরকারি টুকুন রেখে বাকি সব ফেলে দেয়ার ব্যবস্থা করুন প্রতিদিনেরটা প্রতিদিন। এসবের কারণে ঘরদোর নোংরার চূড়ান্ত হয়।

৪) যখনই কথাও কাজ করবেন, সাথে সাথে পরিষ্কার করে ফেলুন। যেমন টেবিলে খাওয়া হল, সাথে সাথেই টেবিলটি মুছে ফেলুন। রান্না ঘরে কাজ করছেন, কাজ শেষ অলেই কিচেন টপ পরিষ্কার করে ফেলুন। মাত্র ১ মিনিটের একটি কাজ। কিন্তু কতটা উপকারী চিন্তাও করতে পারবেন না।

৫) বাসায় কাজের মানুষ না থাকলে বা আপনি নিজে ব্যস্ত মানুষ হলে শৌখিন দ্রব্য একেবারেই কম কিনুন। এগুলো ঘরদোর নোংরা করে বেশী, পরিষ্কারেও কষ্ট। অন্যদিকে টুকিটাকি জিনিস ছড়িয়ে না রেখে এগুলোকে বাক্সবন্দী করে রাখার অভ্যাস করুন। জিনিস যত চোখের আড়ালে, ঘর তত পরিষ্কার।

৬) জুতা-স্যান্ডেল এলোমেলো রাখবেন না মোটেও। একটি জুতার আলমারি কিনে ফেলুন। যাবতীয় জুতা-স্যান্ডেল সেটার মাঝে রাখুন, দরজা সবসময় আটকে রাখবেন। দেখবেন, ঘরদোর কত পরিচ্ছন্ন দেখায়।

৭) সিংকে কখনো বাসনপত্র জমাবেন না। যখনকারটা তখনই ধুয়ে ফেলুন, সিংকটাও প্রত্যেকবার ধোঁয়া শেষে ধুয়ে ফেলুন। এতে সিংক কখনোই বেশি ময়লা হবে না।

৮) যে জিনিসটি যেখান থেকে নিয়ে ব্যবহার করেছেন, কাজ শেষে ঠিক সেখানেই ফিরিয়ে রাখা অভ্যাস করুন। এটা সবচাইতে জরুরী অভ্যাস।

৯) দৈনিক না হলেও একদিন পর পর সবকিছু ঝেড়ে ফেলুন। খুব ভালো হয় যদি একটি ভ্যাকুয়াম ক্লিনার থাকে। এটা আপনার পরম বন্ধু হয়ে উঠতে পারবে।

'বাসার বাজার করেছেন তো? বাজার করুন চালডালে - সময় বাচাঁন, খরচ বাচাঁন। সেরা দামে সবকিছু মাত্র এক ঘন্টায়।'

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

To Top