তথ্যপ্রযুক্তি

টিউবওয়েল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে কক্সবাজার পলিটেকনিক ছাত্র স্বদেশ

টিউবওয়েল থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করেছে কক্সবাজার পলিটেকনিক ছাত্র স্বদেশ

স্বদেশ বড়ুয়া জিটু নামের কক্সবাজার পলিটেকনিকের একজন ছাত্র টিউবওয়েল থেকে বিদু্ৎ উৎপাদন করে চমক সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘ দিন গবেষণার পরে সে এই কাজে সফল হয়েছে। এই পক্রিয়ায় ৫০০ ওয়াট পর্যন্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাবে বলে সে অভিমত ব্যক্ত করেছে। সাথে সাথে এই পদ্ধতি ব্যবহার করে সে জল বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা তার মুখেই শোনা যাক-

অবশেষে টিউবওয়েল থেকে বিদু্ৎ তৈরী করতে পেরে নিজের গবেষণা কজকে কিছুটা হলেও সফল হয়েছে বলে মনেকরি।দীর্ঘ দিন গবেষণার পরে এই কাজে সফল হয়েছি।এটি হতে সর্বোচ্চ ৫০০ ওয়াট পর্যন্ত বিদু্ৎ উৎপাদন হবে।হাতলে যখন চাপ প্রয়োগ করা হবে তখন বিদু্ৎ উৎপন্ন হবে।

আমাকে অনেকে প্রশ্ন করে যে প্রতিদিন কে হাতলে চাপ দিবে?যখন হাতলে চাপ দিবে তখন যে বিদু্ৎ উৎপন্ন হবে তা রেকটিফায়ারের সাহায্য সরাসরি ব্যাটারিতে চলে যাবে।এই বিদু্ৎ তের পাওয়ার বেশি হওয়ায় কয়েক রাউন্ড ঘুরার সাথে সাথে ব্যাটারি ফুল চাজ হয়ে যাবে।

শুধূ এখানে শেয নয়।এটা আমার গবেষণার মধ্য সামান্য কাজ।আমি জল স্রোতকে কাজে লাগিয়ে হাজার মেগাবাইট বিদু্ৎ উৎপন্ন করতে পারব। আমি আবারো বলছি,জল স্রোত কে কাজে লাগিয়ে হাজার মেগাবাইট বিদু্ৎ উৎপন্ন করতে পারব।বাঁধ তৈরি করে সারা বছর জল বিদু্ৎ উৎপাদন করার জায়গা আমার উত্তর ঘুমধূম এলাকায় আছে।এটা আমার সাধারণ মুখের কথা নয়।দীর্ঘ দিনের গবেষণার কথা।

আমি কক্সবাজার পলিটেকনিক ইন্সটিটিউটের কম্পিউটার বিভাগের সপ্তম পর্বের ছাত্র।৫ম পর্বে থাকতে আমি গবেষণা চালিয়ে আসছি।

আমার গবেষণার আরেকটা বড় আবিষ্কার রয়েছে। যার জন্য আমার এত পরিশ্রম।যার পিছনে হাজার হাজার টাকা খরচ করছি।সেটি একটি ইনজিল। যেটি আমার মূল গবেষণা।যে ইঞ্জিনটি অন্য ইঞ্জিন থেকে আলাদা। যেটা বিশ্ব এ আজ পর্যন্ত কেউ আবিষ্কার করতে পেরেছে কিনা আমার জানা নাই।আমি সেই ইঞ্জিনের নাম দিলাম (দি আর্থ ইঞ্জিন) অর্থাৎ পৃথীবি ইঞ্জিন। এটা চলার জন্য কোনো জ্বালানির দরকার হবে না।কোনো তাপের বা চার্জের দরকার হবেনা। এই ইঞ্জিন ঘুরলে আর থামানো যাবে না।এটি সবসময় ঘুরবে নিজস্ব শক্তির সাহায্য।

বিজ্ঞানী গ্যালিলিও এবং নিউটন এদের দুইটি সূত্রের সাহায্য আমি অসাধারণ এই ইঞ্জিন আবিষ্কার করতে সমর্থ হচ্ছি। সূত্র দুটি হলো:

১.সূর্য নয়, পৃথীবিই সুর্যে চারিদিকে ঘুরে।

২.সকল পদার্থ এর পরস্পর সমান বিপরীত ক্রিয়া আছে।

এই দুইটি সূত্রের উপর গবেষণা চালাতে গিয়ে দেখি যে কোন শক্তির কারনে পৃথীবি সুর্যের চারি দিকে ঘুরে এতে কোনো জ্বালানীর বিদু্ৎ বা তাপের প্রয়োজন নাই।ঠিক অনুরূপভাবে এমন একটা ইঞ্জিন তৈরী করা যাবে যেটি বাহিয্যিক শক্তি ছাড়া চলবে। তাই আমি এই ইঞ্জিনের নাম দিলাম দি আর্থ ইঞ্জিন (The earth Engine)। আমি এর ৪৫% কাজ শেষ করছি। এই কাজের জন্য আমি হাজার হাজার টাকা ব্যয় করছি।। কলেজ থেকে যে টাকা পাই তা সব এই কাজে ব্যয় করি।টিউশন করে যা টাকা পাই তা গবেষণার কাজে ব্যয় করি।গবেষণার জন্য আমাকে কেউ সাহায্য করে না।

আমি চাইলে এই ইঞ্জিনটা এক বা দুই মাসের মধ্যে তৈরি করতে পারব।কিন্তু দুঃখের বিষয় এটি যে প্রচুর সময় ও অর্থের প্রয়োজন। পলিটেকনিকের লেখাপড়া বেশ কঠিন। যখন আমি গবেষণা করি তখন পড়ার সময় পাই না,পড়তে গেলে গবেষণা করার সময় পাইনা। ২০১৬ সালে আমার ডিপ্লোমা ইন্জিনিয়ারিং পড়া শেষ হবে।২০১৭ সালের দিকে এই ইন্জিন সম্পুর্ন রূপে তৈরি করতে সক্ষম হব।

আমি এই ইন্জিনের থিওরিটা বলে দেওয়াতে অন্য কেউ যদি ইন্জিনটা আবিষ্কার করে ফেলে তখন প্রথম আবিষ্কারক হিসেবে আমার নাম থাকবেনা তা আমি জানি।তৈরি করতে পারলে বেশ ভালো।এই গবেষণাটা বেশ জটিল। এই গবেষণাটা যেখানে আমার কাছে ৯৫% সহজ, যেটা অন্যের কাছে ৯৫% কঠিন হবে।

'বাসার বাজার করেছেন তো? বাজার করুন চালডালে - সময় বাচাঁন, খরচ বাচাঁন। সেরা দামে সবকিছু মাত্র এক ঘন্টায়।'

Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

To Top